নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কোতোয়ালি এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’র শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। গ্রেপ্তারকৃতের নাম আহম্মেদ নিজাম (৩৫)। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও তিনি পুলিশ আহত করার একটি মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। বুধবার সকালে র্যাব-২ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শিহাব করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাবের ভাষ্য, সোমবার বিকাল তিনটার দিকে রাজধানীর কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে হিযবুত তাহরীর’র শীর্ষ জঙ্গি আহম্মেদ নিজামকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আহম্মেদ নিজাম নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরীরের শীর্ষ জঙ্গি এবং দাওয়াতি বিভাগের দায়িত্বে রয়েছে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে আত্মগোপনে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলে। আত্মগোপনে থেকে জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। আহম্মেদ নিজামের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একটি পুলিশ এ্যাসাল্ট মামলা ও চারটি সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। আর খিলগাঁও থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় দুই বছরের সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আহম্মেদ নিজামের বরাত দিয়ে র্যাব জানায়, তিনি ২০১০ইং সালে একটি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে পড়া অবস্থায় তিনি উগ্রবাদী নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীরের’ সাথে সম্পৃক্ত হয়। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকরি করেছেন। আর বর্তমানে বাসায় বসে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করেন। আহম্মেদ নিজাম ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র জঙ্গিবাদী বই প্রচার ও নওযুবক তথা তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করে আসছিল। তিনি অফলাইন ও অনলাইনের মাধ্যমে হিযবুত তাহরীর গ্রুপ লিডারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন মসজিদে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী লিফলেট বিতরণ ও দাওয়াতি কাজ করতেন।
তাকে রাজধানী খিলগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আহম্মেদ নিজাম ঢাকার খিলগাঁও থানার মো. মনির হোসেনের ছেলে।
এনডিটিভিবিডি/১৭জানুয়ারি/এএ